" /> ভুল সংশোধন করেই আমরা বই গুলো পৌঁছাচ্ছি : শিক্ষামন্ত্রী – নাগরিক দৃষ্টি টেলিভিশন
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
খালেদা, তারেককে নিয়ে সময় টিভির প্রতিবেদন সম্পর্কে যা বললেন ফখরুল বিদ্যুতের দাম প্রতি মাসেই সমন্বয় করা হবে : প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন : নাছিম বিআইডব্লিউটিএ’র অনুমোদন ছাড়া কোনো সেতু নয় : নৌ প্রতিমন্ত্রী সিলেটে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস- ২০২৩ উদযাপন সাংবাদিক আফতাব হত্যা : ৯ বছর ছদ্মবেশে ফাঁসির আসামি, অবশেষে গ্রেপ্তার বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা সাংবাদিক আফতাব হত্যা : ৯ বছর ছদ্মবেশে ফাঁসির আসামি, অবশেষে গ্রেপ্তার বার বার আদালতে আনা নেয়ায় অসুস্থ হয়েছেন রিজভী : ইউট্যাব ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার মূল হাতিয়ার হবে ডিজিটাল সংযোগ : প্রধানমন্ত্রী

ভুল সংশোধন করেই আমরা বই গুলো পৌঁছাচ্ছি : শিক্ষামন্ত্রী

image E M e1672414471421

5 / 100

শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি বলেছেন, বই ছাপার মধ্যে সমস্যা হলে সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত থাকে। ২০২৩ সালের  জন্য যে বইগুলো তৈরী করা হচ্ছে সেগুলোতে কোন ভুল হলে আমরা সেগুলো সংশোধন করেই পৌঁছাচ্ছি।
শুক্রবার সন্ধ্যায় চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিক সমাবেশে বই ছাপার ক্ষেত্রে ভুল সংশোধন সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
দীপু মনি আরো বলেন, আগামী বছর প্রাথমিকের প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণী এবং মাধ্যমিকে ৬ষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীতে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে। এই বইগুলো নতুন বই। বইগুলো আমরা ২০২২ সালে পাইলটিং করেছি। আমরা শিক্ষায় রূপান্তর ঘটাচ্ছি অর্থাৎ আমরা কিভাবে পড়াচ্ছি, সেভাবে মূল্যায়ন হবে। সে কারণে ২০২৩ সালেও উল্লেখিত শ্রেণীতে বইগুলো পরীক্ষামূলক সংস্করণ হিসেবে যাবে। তাই সারা বছর আমরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও  শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবারও প্রতিক্রিয়া নিব এবং ২০২৪ সালে যে বইগুলো যাবে সেখানে পরিমার্জন, সংশোধন, সংযোজন ও বিয়োজন যা দরকার তা করে নিব।
মন্ত্রী বলেন, বিগত ২০২১ সালের বইগুলোতে অনেক ভুল ছিল। আমরা সেগুলো অতিমারির সময় অনেক কাজ করে সংশোধন করেছি। যে কারণে ২০২২ সালে তেমন ভুল ছিল না। এবছর আশা করছি তেমন ভুল হবে না। যদি হয়, তাহলে আমরা সেগুলো সঙ্গে সঙ্গে সংশোধন করার চেষ্টা করব।
দীপু মনি বলেন, আমরা নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে সারাদেশব্যাপী শিক্ষকদের  প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আবার যারা প্রশিক্ষক হিসেবে আছেন, তাদেরকেও  প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আর এই প্রশিক্ষণ চলছে অনলাইনে। যারা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন তারা যখন নতুন বই পেয়ে পাঠদান করবেন প্রথম ৫দিন তাতে ভুল ত্রুটিসহ সমস্যাগুলো দেখবেন। স্কুল বন্ধ থাকার দুইদিন সেগুলো আবার শিখে নিবেন। এইভাবে তারা এগিয়ে যাবেন। শিক্ষাকরা কিভাবে ক্লাশ নিবেন সে বিষয়ে আমরা একটি গাইড লাইন দিয়েছি। শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন হওয়ার কারণে শিক্ষকদের ভূমিকাতেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এ কারণে তারা ৫ দিন ক্লাশের পর দুইদিন প্রশিক্ষণ পাবেন। অনেকের ধারণা ছিল অনলাইনে ভাল প্রশিক্ষণ হয়না, কিন্তু এখন সেই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। আমরা সরাসরিও প্রশিক্ষণ দিব, তবে বেশী দূরে যেতে হবে না। সর্বোচ্চ উপজেলা পর্যায়ে এসে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
এ সময় চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সহ-সভাপতি রহিম বাদশা,  সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ ফেরদৌসসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রঃ বাসস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা