" /> বগুড়ায় স্কুলছাত্রীর বুদ্ধিমত্তায় অক্ষত থাকলো সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নথিপত্র – নাগরিক দৃষ্টি টেলিভিশন
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
খালেদা, তারেককে নিয়ে সময় টিভির প্রতিবেদন সম্পর্কে যা বললেন ফখরুল বিদ্যুতের দাম প্রতি মাসেই সমন্বয় করা হবে : প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন : নাছিম বিআইডব্লিউটিএ’র অনুমোদন ছাড়া কোনো সেতু নয় : নৌ প্রতিমন্ত্রী সিলেটে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস- ২০২৩ উদযাপন সাংবাদিক আফতাব হত্যা : ৯ বছর ছদ্মবেশে ফাঁসির আসামি, অবশেষে গ্রেপ্তার বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা সাংবাদিক আফতাব হত্যা : ৯ বছর ছদ্মবেশে ফাঁসির আসামি, অবশেষে গ্রেপ্তার বার বার আদালতে আনা নেয়ায় অসুস্থ হয়েছেন রিজভী : ইউট্যাব ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার মূল হাতিয়ার হবে ডিজিটাল সংযোগ : প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় স্কুলছাত্রীর বুদ্ধিমত্তায় অক্ষত থাকলো সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নথিপত্র

image 95452 1668865151

9 / 100

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে জান্নাতুল ফেরদৌস নামে এক স্কুলছাত্রীর বুদ্ধিমত্তায় অক্ষত থাকলো উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সব নথিপত্র। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) রাত ৮টায় পৌর শহরের হাটখোলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। জান্নাতুল ফেরদৌস শেরপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী।


জান্নাতুল জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আমার বাড়ির পাশের একটি দোকানে আগুন লাগলে সবাই নেভানোর চেষ্টা করছিল। এসময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন করে কাউকে পাইনি। পরে থানায় জানানোর কিছুক্ষণের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফলে অক্ষত থাকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র।
জানা গেছে, সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পাশের একটি দোকানে অগ্নিকা-ের সূত্রপাত হলে ওই স্কুলছাত্রী ফায়ার সার্ভিসে ফোন দেয়। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের কেউ ফোন না রিসিভ করলে মেয়েটি ট্রিপল নাইনে ফোন করে সংশ্লিষ্ট থানায় খবর দেয়। পরে থানা থেকে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিটের ১ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

image 95452 1668865151


শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকের সভাপতি এস এম ফেরদৌস জানান, যখন সবাই আগুন নেভাতে ব্যস্ত তখন ওই স্কুলছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস শেরপুর থানার মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসকে অবগত করলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।


ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি ও দোকানের মালিক আব্দুল কুদ্দুস জানান, আমি ৩৫ বছর ধরে ব্যবসা করছি। আমার দোকানে প্রায় অর্ধকোটি টাকার রেকসিন, পলিথিন ও প্লাস্টিকের যাবতীয় আসবাবপত্র ছিল।
শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার আতাউর রহমান জানান, একটি মেয়ের কল পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে অবগত করি। ঘটনার স্থল পরিদর্শন করেছি।


শেরপুর ফায়ার এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যার হাউজ নাদির হোসেন জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে এসে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করি। তবে পলিথিন ও প্লাস্টিক থাকার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ি ও দোকানসহ প্রায়অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা