" /> বিজিবি ও বিজিপির মধ্যে অষ্টম সীমান্ত সম্মেলন শুরু – নাগরিক দৃষ্টি টেলিভিশন
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রাত পোহালে রাজধানীতে বিএনপির গণসমাবেশ নারী জাগরণের মধ্যেই সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হবে : প্রধানমন্ত্রী বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত মন্তব্য না করার আহ্বান : সেতুমন্ত্রী গুজরাট বিজেপি ১৮২ আসনের ১৫৬টিতে জয়ী হয়ে রেকর্ড রিমান্ড শেষে কারাগারে টুকুসহ সাত জন জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে ফখরুল-আব্বাস ফখরুল-আব্বাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ সর্দিতে নাক বন্ধ হলে আরাম পেতে যা করবেন আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডসের আগের লড়াইগুলো ম্যাচ পরিসংখ্যান ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচ পরিসংখ্যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্সি কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত

বিজিবি ও বিজিপির মধ্যে অষ্টম সীমান্ত সম্মেলন শুরু

WhatsApp Image 2022 11 24 at 14.39.40 min

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং মায়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) মধ্যে পাঁচ দিনব্যাপী অষ্টম সীমান্ত সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার দিকে মায়ানমারের রাজধানী ‘নেপিতো’ তে শুরু হয়েছে।


এতে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। অপরদিকে, ডেপুটি চীফ অব মায়ানমার পুলিশ ফোর্সের পুলিশ মেজর জেনারেল অং নেইং থুয়ের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের মায়ানমার প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।


মায়ানমার প্রতিনিধিদলে মায়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ছাড়াও সে দেশের প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র এবং অভিবাসন ও জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সম্মেলনে-সাম্প্রতিক সময়ে মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিরসন, আকাশ সীমা লংঘন, আন্ত:রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং আন্ত:সীমান্ত অপরাধী চক্রের কর্মকান্ড প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ অন্যান্য মাদক ও মানব পাচার রোধ, সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সীমান্ত সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান, যৌথ টহল পরিচালনা, রিজিয়ন ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত সমন্বয় সভা,পতাকা বৈঠক আয়োজন,আটককৃত,সাজাভোগকৃত উভয় দেশের নাগরিকদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যূত মায়ানমার নাগরিকদের তাদের মূল আবাসভূমিতে প্রত্যাবর্তন এবং বিজিবি ও বিজিপির মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় নিয়ে অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হবে।

সীমান্ত সম্মেলন শেষে আগামী ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


ফেসবুকে আমরা