" /> বাজারে চিনি ও সয়াবিন তেল একরকম উধাও হয়ে গেছে – নাগরিক দৃষ্টি টেলিভিশন
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রাত পোহালে রাজধানীতে বিএনপির গণসমাবেশ নারী জাগরণের মধ্যেই সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হবে : প্রধানমন্ত্রী বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত মন্তব্য না করার আহ্বান : সেতুমন্ত্রী গুজরাট বিজেপি ১৮২ আসনের ১৫৬টিতে জয়ী হয়ে রেকর্ড রিমান্ড শেষে কারাগারে টুকুসহ সাত জন জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে ফখরুল-আব্বাস ফখরুল-আব্বাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ সর্দিতে নাক বন্ধ হলে আরাম পেতে যা করবেন আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডসের আগের লড়াইগুলো ম্যাচ পরিসংখ্যান ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচ পরিসংখ্যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্সি কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত

বাজারে চিনি ও সয়াবিন তেল একরকম উধাও হয়ে গেছে

17 11 2022 15 52 20 1668678740

দাম বাড়ানোর জন্য  মিলমালিকরা গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে চিনি ও ভোজ্য তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছিল । বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি চিনিতে ১৩ টাকা ও সয়াবিন তেলে ১২ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
17 11 2022 15 52 20 1668678740
ভোক্তারা আশায় ছিলেন, হয়তো শুক্রবার থেকে বাজারে পণ্য দুটির আর সংকট থাকবে না, সহজেই মিলবে। অথচ ঘটল তার উল্টো। বাজারে চিনি ও সয়াবিন তেল একরকম উধাও । দুয়েকটি দোকানে যৎসামান্য সয়াবিন তেল মিললেও চিনি মিলছে না একেবারেই। ক্রেতারা এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরে ঘুরে হয়রান।খুচরা বাজারের মতো পাইকারি বাজারেও তেল-চিনির সংকট প্রকট। রাজধানীর প্রধান পাইকারি বাজার মৌলভীবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখানেও তেল-চিনির হাহাকার চলছে।
অন্যদিকে চিনি-তেলের বাজারে মিলমালিকদের কারসাজির প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতর। দেশের শীর্ষ দুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপ ও মেঘনা গ্রুপ চিনি ও ভোজ্য তেলের দাম নিয়ে কারসাজি করেছে এবং সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে। এ জন্য প্রতিষ্ঠান দুটিকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটির কর্তৃপক্ষকে।
এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান গতকাল সময়ের আলোকে বলেন, ‘চিনি ও তেলের চলমান সংকটের পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে পণ্য দুটির সাপ্লাই কম। মিলমালিকরা নানারকম অজুহাতে উৎপাদন কমিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে পাইকারি ও খুচরা বাজারে। আমরা মিল ও বাজার পর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করে দেখেছি দুটি প্রতিষ্ঠান চিনির মূল্য কারসাজি করেছে। চিনির দাম বাড়ানো হলো বৃহস্পতিবার। নতুন দাম অনুযায়ী প্যাকেটজাত চিনির কেজি ১০৮ টাকা। অথচ আমরা গত মঙ্গল ও বুধবার বাজারে অভিযান চালিয়ে দেখেছি দাম বাড়ানোর আগে থেকেই দুটি প্রতিষ্ঠান তাদের চিনির প্যাকেটে ১০৮ টাকা মূল্য দিয়ে বিক্রি করছে। এটি সম্পূর্ণ অনৈতিক কাজ। এ জন্য প্রতিষ্ঠান দুটিকে আমরা শোকজ করেছি। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছি। দেখি তারা কী জবাব দেয়। জবাব সন্তোষজনক না হলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব এবং আর্থিক জরিমানা করব।’
শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজারে দেখা গেছে প্যাকেটজাত ও খোলা কোনো চিনিই নেই। কারওয়ান বাজারে ছোট-বড় মিলে শতাধিক মুদি দোকান রয়েছে। যে দোকানেই চিনি চাওয়া হচ্ছে-বিক্রেতাদের একই জবাব, চিনি নেই। কারণ জানতে চাইলে বলা হচ্ছে-মিল থেকে চিনির সরবরাহ বন্ধ। গত দুই সপ্তাহ ধরেই বাজারে চিনির সংকট, আর এক সপ্তাহ ধরে চিনি নেই বললেই চলে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


ফেসবুকে আমরা