" /> খাদ্য আমদানিতে যেটুকু না দিলেই নয়, সেটুকু রেখে বাকি সব ধরনের পার্শ্ব কর বাতিল করার উদ্যোগ – নাগরিক দৃষ্টি টেলিভিশন
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রাত পোহালে রাজধানীতে বিএনপির গণসমাবেশ নারী জাগরণের মধ্যেই সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হবে : প্রধানমন্ত্রী বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত মন্তব্য না করার আহ্বান : সেতুমন্ত্রী গুজরাট বিজেপি ১৮২ আসনের ১৫৬টিতে জয়ী হয়ে রেকর্ড রিমান্ড শেষে কারাগারে টুকুসহ সাত জন জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে ফখরুল-আব্বাস ফখরুল-আব্বাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ সর্দিতে নাক বন্ধ হলে আরাম পেতে যা করবেন আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডসের আগের লড়াইগুলো ম্যাচ পরিসংখ্যান ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচ পরিসংখ্যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্সি কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত

খাদ্য আমদানিতে যেটুকু না দিলেই নয়, সেটুকু রেখে বাকি সব ধরনের পার্শ্ব কর বাতিল করার উদ্যোগ

Import Export BD e1668515884962

খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে সব ধরনের পার্শ্ব কর বাতিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেটুকু না দিলেই নয়, সেটুকু রেখে বাকি সব ধরনের কর বাতিল করে খাদ্য আমদানিকারকদের স্বস্তি দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী বছর সম্ভাব্য খাদ্যসংকট মোকাবিলায় খাদ্য আমদানিকে উৎসাহিত করতেই সরকার এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে নির্দেশ দিচ্ছে।  মন্ত্রিসভা বৈঠক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

Import Export BD e1668515884962

সোমবার (১৪ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে মন্ত্রিসভার একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের জন্য বেসরকারি উদ্যোগে ১৫ লাখ টন চাল আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। চাল আমদানির ক্ষেত্রে ৬২ শতাংশ শুল্ক দুই ধাপে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার পরও আমদানিকারকরা চাল আমদানিতে উৎসাহ দেখাচ্ছেন না।

আমদানিকারকদের ভাষ্যমতে, চালসহ খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান করের আড়ালে কিছু অদৃশ্য কর রয়ে গেছে। উৎসে কর, আবার অ্যাডভান্স করের ঝামেলাও রয়েছে। এসব ঝামেলা উপেক্ষা করে চাল আমদানি করলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা। এমন আশঙ্কায় আমদানিকারকরা অনুমতি পাওয়ার পরও চাল আমদানি করছেন না। সে ক্ষেত্রে সোমবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে আমদানিকারকদের সব ধরনের কর-সংক্রান্ত জটিলতা কাটাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে বিষয়টি তদারকি করছেন।

এদিকে সোমবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে খাদ্য মজুত বাড়াতে আমদানির বিষয়টি ছাড়াও ২০২৩ সালের সম্ভাব্য সংকট কাটিয়ে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ স্থানে রাখতে আরও কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলো হচ্ছে— খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। খাদ্য আমদানির পরেও হয়তো সংকট থাকবে। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদে বেশ কিছু নতুন জাত এসেছে। এগুলো ইতোমধ্যে পরীক্ষিত। এগুলো ধীরে ধীরে রিপ্লেস করলে আগামী এক থেকে তিন বছরের মধ্যে উৎপাদন দ্বিগুণের কাছাকাছি চলে যাবে  ইনশা আল্লাহ ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


ফেসবুকে আমরা