" /> ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল করতে প্রয়োজন হওয়া ওয়েবসাইট কী কী? সফল ইউটিউবার হতে চাইলে... – নাগরিক দৃষ্টি টেলিভিশন
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রাত পোহালে রাজধানীতে বিএনপির গণসমাবেশ নারী জাগরণের মধ্যেই সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হবে : প্রধানমন্ত্রী বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত মন্তব্য না করার আহ্বান : সেতুমন্ত্রী গুজরাট বিজেপি ১৮২ আসনের ১৫৬টিতে জয়ী হয়ে রেকর্ড রিমান্ড শেষে কারাগারে টুকুসহ সাত জন জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে ফখরুল-আব্বাস ফখরুল-আব্বাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ সর্দিতে নাক বন্ধ হলে আরাম পেতে যা করবেন আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডসের আগের লড়াইগুলো ম্যাচ পরিসংখ্যান ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচ পরিসংখ্যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্সি কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত

ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল করতে প্রয়োজন হওয়া ওয়েবসাইট কী কী? সফল ইউটিউবার হতে চাইলে…

main qim

5 / 100

Report Mahamud Mithu

এ সময়ে ভিডিও মানেই যেন ইউটিউব। এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন, যিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন অথচ ইউটিউব ব্যবহার করেন না। শিক্ষা, বিনোদন, খেলা, সংবাদ, প্রযুক্তি, সাজসজ্জা, রান্না ও ভ্রমণ থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের ভিডিও রয়েছে ইউটিউবে। ইউটিউব যেমনি শিক্ষা-বিনোদনের এক অনন্য মাধ্যমে পরিণত হয়েছে, তেমনি ইউটিউব বর্তমান সময়ে অর্থ উপার্জনেরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করে আপনি যেমন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, তেমনই আয় করতে পারেন।

সফল ইউটিউবার হতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য ও সততার পরিচয় দিতে হবে। আপনার ভিডিওর বিষয়বস্তু হতে হবে স্বতন্ত্র । চ্যানেল তৈরি করার সঙ্গে সঙ্গেই হাজার হাজার ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার হয়ে যাবে অথবা হাজার হাজার টাকা আয় হবে—এটা ভাবা ঠিক নয়। সফলতার জন্য সময় ও শ্রম দিতে হবে।

চ্যানেলের বিষয়

প্রথমেই ঠিক করতে হবে আপনি কোন বিষয় নিয়ে কাজ করবেন। যেমন শিক্ষা, বিনোদন, প্রযুক্তি, রান্না, ফ্যাশন, ভ্রমণ, মজার ভিডিওসহ নানা বিষয় নিয়ে ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করতে পারেন। তবে যেকোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে চ্যানেল তৈরি করলে দর্শকের কাছে তা বেশি গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এখন ভিডিও ব্লগ বা ব্লগিংও বেশ জনপ্রিয়।

চ্যানেলের নাম

আপনার ভিডিওর বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চ্যানেলের একটি স্বতন্ত্র নাম দিতে পারেন। চ্যানেল ট্যাগ ব্যবহার করুন; যা আপনার চ্যানেলটি খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।

আয়

ইউটিউবের আয় মূলত পরোক্ষ আয় (প্যাসিভ ইনকাম)। ইউটিউবের ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে যে আয় হয় তার একটি অংশ ভিডিও নির্মাতা বা ক্রিয়েটরকে দেওয়া হয়। এখানে এমন কোনো সমীকরণ নেই যে এক হাজার ভিউ হলে এত ডলার আয় হবে। ইউটিউবে চ্যানেল খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও মনিটাইজেশন করতে পারবেন না। ইউটিউব থেকে আয় করতে আপনাকে ইউটিউবের পার্টনার প্রোগ্রামে অংশ নিতে হবে। আপনার চ্যানেলটিতে ১২ মাসে কমপক্ষে এক হাজার সাবস্ক্রাইবার ও চার হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম থাকলে, তা মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করা যাবে। তবে আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার বেশি থাকলে এবং ভিডিও ভিউ অনেক বেশি হলে ইউটিউবের আয়ের বাইরে আপনি স্পন্সরও জোগাড়ের চেষ্টা করতে পারেন। বিভিন্ন পণ্যের রিভিউ বা পর্যালোচনা করেও আয় করা যায়।

main qim

কীভাবে ভিউ বাড়াবেন

আপনার ভিডিওতে যথাযথ ও আকর্ষণীয় শিরোনাম ও থাম্বনেইল যুক্ত করুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে ভিডিওর দর্শকের সংখ্যা (ভিউ) বাড়াতে পারেন। ইউটিউবে ভিডিও প্রকাশের (আপলোড) সময় এন্ড স্ক্রিনে অন্য ভিডিও বা প্লে লিস্ট যুক্ত করুন। সঠিক ভিডিও ডেসক্রিপশন যোগ করুন। বিভাগ অনুসারে ভিডিওগুলো প্লে লিস্টে সাজান। প্রাসঙ্গিক ভিডিও ট্যাগ ব্যবহার করুন। ট্যাগ রিসার্চে TubeBuddy আথবা VidIQ–এর মতো টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। তা ছাড়া আপনি পেইড বুস্টও (বিজ্ঞাপন) করতে পারেন।

সতর্কতা

আপনাকে অবশ্যই কপিরাইট ও কমিউনিটি গাইডলাইন মানতে হবে। এ নির্দেশনাগুলো না মানলে আপনার মনিটাইজেশন (আয়) বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এমনকি আপনার চ্যানেলটি বন্ধও হতে পারে। কপিরাইট ও কমিউনিটি গাইডলাইনের তিনটি স্ট্রাইক থাকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একেকটি স্ট্রাইকের জন্য ভিডিও মুছে যাওয়া, লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ হওয়া, ভিডিও আপলোড করতে না পারার মতো ঘটনা ঘটে। আর তৃতীয় স্ট্রাইকে চ্যানেল বন্ধ করা হয়। তবে আপনি যদি মনে করেন, আপনার কপিরাইট স্ট্রাইকটি ভুল করে দেওয়া হয়েছে—তাহলে কাউন্টার নোটিফিকেশন দিতে পারেন।

কীভাবে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন ও সাজাবেন

main qimg 03bb0a9459818a78b76de2f8f3052016 lq
১. YouTube

–এ যান। ওপরে ডান পাশে Sign In–এ ক্লিক করে gmail দিয়ে Sign In করুন।

২. ওপরে ডান পাশের গোল চ্যানেল আইকনে ক্লিক করে My Channel–এ ক্লিক করুন। Use YouTube as… বক্স আসবে। দুই শব্দের চ্যানেল নাম হলে তা দুটি ঘরে লিখে ফেলুন। আর দুই শব্দের চ্যানেল নাম না হলে নিচের Use a business or other name–এ ক্লিক করে পছন্দমতো চ্যানেল নাম লিখে Create Channel–এ ক্লিক করে চ্যানেল তৈরি করুন।

৩. সবার ওপরে ডান পাশে Create a video or post–এ (ক্যামেরার ওপর যোগ চিহ্ন দেওয়া আইকন) ক্লিক করলে Upload video এবং Go live অপশন পাবেন। এখান থেকে ভিডিও আপলোড করুন। শিডিউল পোস্টও করতে পারেন। ভিডিও টাইটেল, ভিডিও ডেসক্রিপশন, ট্যাগ, থাম্বনেইল ও প্লে লিস্ট যুক্ত করে Publish–এ ক্লিক করে ভিডিও পাবলিশ করুন।

৪. My Channel থেকে Customize Channel–এ ক্লিক করে Channel Icon এবং Channel Art যোগ করুন। Channel Trailer যোগ করুন। হোম পেজ সাজান। প্লে লিস্ট তৈরি করুন।

৫. About–এ ক্লিক করে চ্যানেল ডেসক্রিপশন, ই–মেইল, লোকেশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের লিংক যোগ করুন।

৬. Status and Features–এর পাশের Verify অপশনে ক্লিক করে মোবাইল নম্বর দিয়ে চ্যানেলটি অবশ্যই ভেরিফাই করে নিন।

৭. Channel থেকে Branding–এ ক্লিক করে চ্যানেল ব্র্যান্ডিং করুন।

৮. Video Manager থেকে End Screen & Annotation যোগ করুন। Analytics থেকে বিভিন্ন তথ্য দেখে নিতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


ফেসবুকে আমরা