বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
নিউজ বোর্ড :
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, ঠিকাদার কোম্পানিকে ব্ল্যাক লিস্ট করার, উত্তরায় গার্ডার দুর্ঘটনা মোহাম্মদ আলী মিয়া সিআইডি প্রধান হলেন একটু বাড়াবাড়ি হয়েছে বরগুনার ঘটনাটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল বাম জোটের অর্ধদিবস হরতালের ডাক স্বাধীনতা দিবসে মোদি,২৫ বছরে উন্নত দেশ হবে ভারত, মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চিকে ছয় বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন জান্তা সরকারের আদালত ফিফা নিষিদ্ধ করল ভারতকে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট নিয়ন্ত্রণে,চকবাজারে পলিথিন কারখানায় আগুন বিআরটি’র গার্ডার পড়ে উত্তরায় নিহত ৪ সেই ভয়াল রাতে,যা ঘটেছিল হারানো শোককে শক্তিতে রূপান্তর করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির প্রধান বিচারপতির শ্রদ্ধা,জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণে-ওবায়দুল কাদের দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র চলছে,বাংলাদেশকে নিয়ে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছুঁতে পারত বঙ্গবন্ধুকে সবাই ধরতে পারত: পরিকল্পনামন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘাতকচক্র ঘটাতে পারেনি: প্রধানমন্ত্রী বাঙালি জাতির জন্য বেদনাবিধুর দিন ১৫ আগস্ট বিমানবন্দরে ফুল দিয়ে বরণের প্রস্তুতি, দেশে ফিরছেন শাকিব সব মসজিদে শোক দিবসে বিশেষ দোয়া-মোনাজাত
নোটিশ বোর্ড :
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, সে উপলক্ষে এনডিটিভির বিশেষ আয়োজন টেলিফিল্ম “৭৫ এর ১৫ আগষ্ট” দেখবেন আজ রাত ৯ -২০ মিনিটে, শুধু মাএ নাগরিক দৃষ্টি টেলিভিশন এর পর্দায়।। জরুরি ঘোষণাঃ আমাদের আই টি বিভাগের কারিগরি উন্নয়ন এর কাজ চলছে! এতে প্রচারে বিঘ্ন ঘটতে পারে সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত। #Ndtvbdnewsroom “জরুরী আবশ্যক”বেসরকারী অনলাইন টেলিভিশন চ্যানেল ” নাগরিক দৃষ্টি টেলিভিশন ” এনডিটিভি তে এ উপস্থাপক উপস্থাপিকা, ভয়েস আটির্স,অফিস সহকারী পুরুষ – মহিলা এসএসসি,এইচএসসি,স্নাতক,ছবি সহ আবেদন করতে হবে এই মেইলে hr@ndtvbd.com * পরিক্ষামুলক সস্প্রচার * পরিক্ষামুলক সস্প্রচার * নাগরিক সাংবাদিকতার পথে ,আপনি হতে পারেন নাগরিক সাংবাদিক, দেরি না করে এখনি পাঠিয়ে দিন আপনার ছবি সহ বায়োডাটা এই মেইলে hr@ndtvbd.com, আপনারা যদি কোন সংবাদ বা নিউজ ক্লিপ পাঠাতে চান তাহলে এই মেইলে পাঠাতে পারেন news@ndtvbd.com– Head Of News–* পরিক্ষামুলক সস্প্রচার * পরিক্ষামুলক সস্প্রচার * পরিক্ষামুলক সস্প্রচার * পরিক্ষামুলক সস্প্রচার * পরিক্ষামুলক সস্প্রচার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অকার্যকর পরিষদ, পরিবেশ দূষিত

download 2 16

9 / 100

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও হাইকোর্ট এলাকায় গত কয়েক দিনে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষই পরস্পরকে দুষছে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থানের পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। এই আশঙ্কা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ পরিষদের সভা ডাকার দাবি করে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন।

download 2 16

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ক্যাম্পাসে সুন্দর ও অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এই পরিবেশ যাতে নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে যে বডির সভা ডাকার প্রয়োজন তা ডাকা হবে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান ও ক্যাম্পাসে মৌলবাদী ছাত্র সংগঠনকে প্রতিহত করতে আশির দশকে গঠন করা হয়েছিল ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ পরিষদ’। পদাধিকারবলে উপাচার্য এর প্রধান এবং ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল তালিকাভুক্ত সব ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ দুই নেতা হলেন সদস্য। ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) কার্যকর না থাকলে এই পরিষদ ক্যাম্পাসে ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান নিশ্চিত করে। গত বছর এ পরিষদের একটি সভা হলেও দীর্ঘকাল ধরেই কার্যত অকার্যকর হয়ে আছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য মতে, সর্বশেষ গত বছরের ২৫ নভেম্বর অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন নিয়ে পরিবেশ পরিষদের সভা হয়। এতে সভাপতির বক্তৃতায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ সংরক্ষণ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার সংস্কৃতি জোরদার করার আহ্বান জানান।বর্তমান প্রেক্ষাপটে ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিতকরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা কী হতে পারে- জানতে চাইলে উপাচার্য সমকালকে বলেন, একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সুন্দর ও অনুকূল পরিবেশ বিরাজমান রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এই পরিবেশে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, এ জন্য সব ছাত্র সংগঠনকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি। পরিবেশ পরিষদের সভা ডাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না। এ লক্ষ্যে যেই বডির সভা ডাকার প্রয়োজন হবে, সেই বডির সভা ডাকা হবে।তবে বর্তমানে ক্যাম্পাসে আবারও রক্তাক্ত সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশ পথে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ছাত্রদলকে প্রতিহত করতে পাহারা বসিয়েছে। এ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, ছাত্রদল নেতারা ক্যাম্পাসে এসেছেন। মধুর ক্যান্টিনে বসে রাজনৈতিক কার্যক্রমও পরিচালনা করেছেন। বিভিন্ন সময় রাজু ভাস্কর্যে সভা-সমাবেশ করেছেন। তাঁরা বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ধৃষ্টতা দেখাচ্ছেন। এমন ধৃষ্টতা দেখিয়ে তাঁরা ক্যাম্পাসে এলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তো প্রতিহত করবেই। তাই তাঁদের ক্যাম্পাসে আসতে হলে ক্ষমা চাইতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক আক্তার হোসেন বলেন, ‘আমরা অবশ্যই যে কোনো মূল্যে ক্যাম্পাসে যাব। সামনে আরও কর্মসূচি দেব। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচি পালন করতে আমরা ক্যাম্পাসে যাব।’ এ সময় ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা চেয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব শিক্ষার্থীর অভিভাবক। কোনো বিশেষ সংগঠনের নয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা বিধানে প্রশাসনকে সরব ভূমিকা পালন করতে হবে। ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ পরিষদের সভা ডাকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য ছাত্র সংগঠনগুলো এই আহ্বানের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছে।

ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলাকে ‘বিরোধী মত দমনের বহিঃপ্রকাশ’ বলে আখ্যা দিয়ে শিক্ষাঙ্গনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে পরিবেশ পরিষদের সভা আহ্বানের দাবি জানিয়েছে প্রগতিশীল আট ছাত্র সংগঠন। গত বৃহস্পতিবার তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন সময় ছাত্র সংগঠনগুলো ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনা তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে শিক্ষার্থীদের সামনে প্রমাণ করেছে। সর্বশেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ওপর তাঁদের নির্মম হামলা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য এক ভীতিকর ও অনিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রলীগের পুতুল প্রশাসনের ভূমিকা পালন করছে।

প্রগতিশীল আট ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষদ অকার্যকর অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ক্যাম্পাসে একটি সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ পরিবেশ তৈরির জন্য পরিবেশ পরিষদের কাজ করার কথা থাকলেও প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় পরিষদটির অস্তিত্বের কথা শিক্ষার্থীরা ভুলতে বসেছে। তাই অবিলম্বে উপাচার্যকে পরিবেশ পরিষদের সভা আহ্বান করে ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। বিবৃতিতে সই করেন- ছাত্র ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজির আমিন চৌধুরী জয়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি সাদেকুল ইসলাম সোহেল, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি আরিফ মঈনুদ্দিন, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ড, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুনয়ন চাকমা, ছাত্র ফেডারেশনের একাংশের সভাপতি মিতু সরকার এবং বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাওফিকা প্রিয়া।

ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ সমকালকে বলেন, পরিবেশ পরিষদের কার্যকারিতা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। একুশে ফেব্রুয়ারি কিংবা পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করেই এই পরিষদের সভা ডাকা হয়। অথচ ডাকসুর অনুপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়েই পরিবেশ পরিষদের সভা হওয়া উচিত। একই সঙ্গে ছাত্র সংসদ নির্বাচন কোন প্রক্রিয়ায় হবে, তা নিয়েও পরিবেশ সংসদের সভা হতে পারে। কিন্তু দেখা যায়, উপাচার্য একটা এজেন্ডায় পরিবেশ পরিষদের সভায় নিজের পরামর্শ দেন এবং ছাত্র নেতাদের বক্তব্য শোনেন। কিন্তু ছাত্র নেতাদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয় না। তিনি ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষের ঘটনায় ক্যাম্পাসের সহাবস্থান যেন বিঘ্নিত না হয়- এ বিষয়ে পরিবেশ পরিষদের ভূমিকা রাখা উচিত বলে মত দেন।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (বাসদ-মার্কসবাদী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সালমান সিদ্দিকী বলেন, ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। কিন্তু পরিবেশ পরিষদ নিষ্ফ্ক্রিয় রাখার ফলে সেই সমস্যা সমাধানে মত দেওয়া যাচ্ছে না।

ছাত্রলীগের মানববন্ধন: গতকাল রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গত কয়েক দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের ওপর ‘ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলার’ প্রতিবাদ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

মানববন্ধনে আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, ১৯৭৫ সালের পরে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে ছাত্রদলের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন। প্রমোদতরীতে গিয়ে ছাত্রদলের হাতে অস্ত্র আর অর্থ তুলে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। নিজেদের অবৈধ ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতেই তিনি এ কাজ করেছেন। তার পথ ধরেই খালেদা জিয়াও ছাত্রদলের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছেন। ছাত্রলীগ সভাপতি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রদলের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে শিক্ষার পরিবেশকে বিষিয়ে তুলেছিলেন। আর বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের হাতে বই এবং কলম তুলে দিয়ে তাঁদের সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন। এটাই বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ছাত্রলীগকে শেখ হাসিনা শিখিয়েছেন, কীভাবে ছাত্র রাজনীতি করতে হয়। তাই তো ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মী দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার, নৈতিকতার প্রশ্নে আপসহীন।

শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করার আহ্বান জানান লেখক ভট্টাচার্য। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করে, যাদের হাতে ৭৫-এর রক্তের দাগ লেগে আছে, তাঁদের শিক্ষাঙ্গনে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। তাঁরা অস্ত্রধারী। আর অস্ত্র ধরা হাতকে যেখানেই পাওয়া যাবে, গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ছাত্রদল নেতাদের বেশিরভাগেরই ছাত্রত্ব নেই। তাঁরা হলে থাকতে পারেন না। ক্যাম্পাসে তাঁদের সমবয়সী কোনো বন্ধুও নেই। তাই তাঁরা বহিরাগতদের এনে ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায়। তাদের যে কোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে।

ছাত্রদল নিষিদ্ধের দাবি: প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, হত্যার হুমকি ও স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস এবং নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগ এনে ছাত্রদলকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই দাবি জানান মঞ্চের নেতৃবৃন্দ। পরে তারা উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয়। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এবং আল মামুনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন- রুহুল আমিন মজুমদার, সনেট মাহমুদ, তৌহিদুল ইসলাম মাহিম প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


ফেসবুকে আমরা