" /> নাইকো মামলায় খালেদা জিয়ার চার্জ শুনানি ৪ নভেম্বর – নাগরিক দৃষ্টি টেলিভিশন
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
খালেদা, তারেককে নিয়ে সময় টিভির প্রতিবেদন সম্পর্কে যা বললেন ফখরুল বিদ্যুতের দাম প্রতি মাসেই সমন্বয় করা হবে : প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন : নাছিম বিআইডব্লিউটিএ’র অনুমোদন ছাড়া কোনো সেতু নয় : নৌ প্রতিমন্ত্রী সিলেটে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস- ২০২৩ উদযাপন সাংবাদিক আফতাব হত্যা : ৯ বছর ছদ্মবেশে ফাঁসির আসামি, অবশেষে গ্রেপ্তার বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা সাংবাদিক আফতাব হত্যা : ৯ বছর ছদ্মবেশে ফাঁসির আসামি, অবশেষে গ্রেপ্তার বার বার আদালতে আনা নেয়ায় অসুস্থ হয়েছেন রিজভী : ইউট্যাব ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার মূল হাতিয়ার হবে ডিজিটাল সংযোগ : প্রধানমন্ত্রী

নাইকো মামলায় খালেদা জিয়ার চার্জ শুনানি ৪ নভেম্বর

news 209804 1

 বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার ৯ নম্বর (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নজরুল ইসলাম  এই দিন ধার্য করেন।

এদিন আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে হাজিরা দাখিল করেন তাঁর আইনজীবী। তবে বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক নজরুল ইসলাম আগামী ৪ নভেম্বর শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

আসামিপক্ষের অন্যতম আইনজীবী সৈয়দ মো. জয়নুল আবেদীন মেসবাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ২ মার্চ এ মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫ ধারায় আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দাখিলের আবেদন করেন মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার। শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়। এতে তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। ২০১৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় আদালতে। এতে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (প্রয়াত), সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন (প্রয়াত), তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

দুর্নীতি দমন কমিনের (দুদক) করা অপর দুই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। সেখান থেকে পরে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়ই সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেয়ে তিনি গুলশানের বাসায় অবস্থান করছেন। ndtvbd/news desk


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা